ঢাকা, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

ভারতে গণপিটুনির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৩, ১১:০০ রাত  

ছবি সংগৃহীত

কার্যত বিরোধীশূন্য লোকসভায় বুধবার (২০ ডিসেম্বর) তিনটি আইনের সংশোধনী পাস হলো। এই সংশোধনীগুলি হলো ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ২০২৩’, ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ২০২৩’ এবং ‘ভারতীয় সাক্ষ্য ২০২৩’। এর ফলে গণপিটুনিতে মৃত্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চালু হতে চলেছে।

ভারতে কিছুদিন ধরে গণপিটুনিতে প্রচুর মানুষ মারা গেছেন। গরুপাচারকারী বা ছেলেধরা সন্দেহে অনেক জায়গায় গণপিটুনিতে প্রচুর মৃত্যু হয়েছে। কেন্দ্র আশ্বাস দিয়েছিল, এর বিরুদ্ধে কড়া আইন করা হবে।

সেই সংশোধনীই আনা হয়েছে। বলা হয়েছে, আইন যাতে কেউ নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে, তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিলগুলি ধ্বনিভোটে পাস হয়েছে। রাজ্যসভায় পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলেই তা আইনে পরিণত হবে।

এই বিলগুলি নিয়ে আলোচনার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিল করা হবে। এই আইনে ইংরেজরা মহাত্মা গান্ধী, সর্দার প্যাটেলদের বন্দি করেছিল। এখন আর ভারতে এই আইনের দরকার নেই। তবে শাহ জানিয়েছেন, দেশের বিরুদ্ধে কেউ কাজ করলে বর্তমান আইনেই তার বিচার হবে। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ শাস্তিযোগ্যই থাকবে।

এই দেশদ্রোহ আইনের প্রয়োগ নিয়েও সাম্প্রতিককালে প্রচুর বিতর্ক হয়েছে। তখন এটাও বলা হয়েছিল, ভারতীয় দণ্ডবিধি অনুসারেই এর বিচার হতে পারে। এর জন্য আলাদা দেশদ্রোহ আইনের প্রয়োজন হয় না।