শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
সংক্ষিপ্ত সংবাদঃ
ভেদাভেদ ভুলে আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি : সালাহউদ্দিন আহমেদ আন্দোলনের ডাকের অপেক্ষায় আছি : সালাহউদ্দিন আহমেদ খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করলো ঢাকা ৫ বিএনপি ফরিদপুরে ফেসবুকে আপত্তিকর স্টাটাস দিয়ে চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি ও প্রয়াত বিএনপি নেতা পিন্টুর মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদল নেতা নিলয়ের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়ার মাহফিল আন্দোলনের মাধ্যমেই এই সরকারের পতন হবে: বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল পালিত পুলিশী হামলায় আহত নেতাকর্মীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিলেন বিএনপি নেতা রবিন আমরা আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত আছি : বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ

ভ্যাকসিনের কোন অভাব নেই,ভবিষ্যতেও হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৬০ জন পড়েছেন
প্রতিটি ভ্যাকসিন কেন্দ্রের স্থানীয় লোকের হার ও চাহিদা অনুযায়ী প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি। কোন কোন কেন্দ্রে এই চাহিদা ও রেজিস্ট্রেশনের হার তূলনামূলক অনেক বেশি হয়ে গেছে। এ কারণে কিছু কেন্দ্রে ভ্যাকসিন স্বল্প সময়ের জন্য কমে গেলেও সময় মতো সেখানে চাহিদা মাফিক ভ্যাকসিন পাঠিয়ে দেয়া হবে। আজ বুধবার দুপুরে ঢাকা ডেন্টাল কলেজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও মুজিব কর্নারের উদ্বোধন এবং অডিটোরিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ভ্যাকসিন গ্রহণে ইচ্ছুক যেকোন ব্যক্তি সুরক্ষা অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন করলে তিনি দুদিন আগে পরে ভ্যাকসিন অবশ্যই পাবেন। কোন কেন্দ্রে রেজিস্ট্রেশন করা ব্যক্তির সংখ্যা বেশি সংখ্যক হলে সেক্ষেত্রে ভ্যাকসিন গ্রহণের তারিখ কিছুটা পেছনে চলে গেলেও ভ্যাকসিন পেতে কোন সমস্যা হবে না। কারণ,শুরুতেই দেশে ৭০ লাখ ভ্যাকসিন আনা হয়েছে। এই ২২শে ফেব্রুয়ারি দেশে আরো ২৫ লাখ ভ্যাকসিন আনা হচ্ছে। এভাবে প্রতি মাসেই নিয়মিতভাবে ভ্যাকসিন আনা হবে।

ফলে ভ্যাকসিনের অভাব কখনই হবে না এবং দেশের সকলেই ভ্যাকসিন পাবেন। পৃথিবীর অনেক দেশ এখন পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরুই করতে পারেনি। আমরা শুরু করেছি এবং ইতিমধ্যেই ১৩ লাখ মানুষ টিকা নিয়েছেন ও প্রায় ২৫ লাখ মানুষ রেজিস্ট্রেশন করেছেন। আপনারা সবাই নিশ্চিন্তে টিকা নিন, দেশে ভ্যাকসিনের কোন অভাব নেই ভবিষ্যতেও হবে না।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গত সাত বছর কাজ করার অভীজ্ঞতা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন,গত সাত বছর ধরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী,মন্ত্রী হিসেবে কাজ করছি। দেখেছি জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বাস্থ্যসেবা কোথা থেকে কোথায় এগিয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ২০টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অনুমোদন দিয়েছেন। ৪টি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। প্রতিটি জেলায় ১০ বেডের আইসিইউ বেড, ১০ বেডের ডায়ালাইসিস সেন্টার হচ্ছে। ৮বিভাগে ৮টি ১৫তলা বিশিষ্ট ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে আগামী মাস থেকেই। অন্যান্য আরো অনেক স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার কাজগুলো চলমান রয়েছে। এগুলি বাস্তবায়ন হলে স্বাস্থ্যসেবা নিতে মানুষকে আর বিদেশে যেতে হবেনা, গ্রামের মানুষকে আর কষ্ট করে ঢাকায় আসতে হবে না। নিজ এলাকাতেই চিকিৎসা সেবা নিবে মানুষ।

করোনাকালীন সরকার বিরোধী ব্যক্তিদের নানা সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি যখন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছি, তখন শুরু হয়েছিল ডেঙ্গু বিপর্যয়। আর এখন পেলাম করোনা মহামারি। আমরা সাফল্যের সঙ্গে করোনা মহামারি মোকাবিলা করছি। অনেকে ঘরে বসে নিরাপদে থেকে সমালোচনা করেছেন, কিন্তু অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াননি। আমরা মানুষের সেবা দিয়ে গেছি। অন্য অনেক দেশের অবস্থা খুবই নাজুক। বাংলাদেশে প্রত্যেকে চিকিৎসা পেয়েছে হাসপাতালে। শুরুতে যখন করোনাভাইরাসের ব্যবস্থাপনাই কেউ জানতো না, সেখানে অব্যবস্থাপনা কিসের। তবুও আমরা মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছি।

জাহিদ মালেক আরো বলেন, আজকে আমাদের সংক্রমণের হার অনেক কম। সুস্থতার হার প্রায় ৯০ শতাংশ। ডাক্তার নার্সরা জীবন দিলো, কিন্তু সমালোচনা থামছে না। আমাদের প্রশংসা করতে হবে, প্রশংসা করলে চিকিৎসক,নার্স, টেকনোলজিস্টরা আরো বেশি অনুপ্রাণিত হবেন।

এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকার দ্বিতীয় ডোজ চার সপ্তাহ পরে নেয়ার কথা ছিল, এখন তা আট সপ্তাহ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে এই সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি। অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ দেয়ার পর দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার জন্য দুই মাস সময় পাবেন। যত দেরিতে নিবেন, শরীরে তত বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হবে এবং ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা অনেক বেশি হবে। এই জন্য আমরা দ্বিতীয় ডোজের সময় নির্ধারণ চার সপ্তাহের বদল আট সপ্তাহ করেছি।
উল্লেখ্য,এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকা ডেন্টাল হাসপাতালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মুর‌্যাল উন্মোচন সহ অডিটোরিয়ামের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন এবং মুজিব কর্ণার উদবোধন করেন।

ঢাকা ডেন্টাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) অধ্যাপক ডা. এম. ইকবাল আর্সলান, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ প্রমুখ।

অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন
© All rights reserved © 2021 bdtribune24.com
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102